অনলাইনে সেলস বৃদ্ধির জন্য কিভাবে ইকমার্স ওয়েবসাইট সাজাবেন

Updated on:
August 8, 2022

নিজের ব্যবসার জন্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাবেন ঠিক করলেন। খুবই এক্সাইটিং আর যুগোপযুগী একটি সিদ্ধান্ত! আপনার কাছে একেবারে মার্কেট যেমনটা চায় ঠিক তেমন পণ্যই আছে, কম্পিটিটরদের চাইতে বেশ কম দামেও অফার করতে পারবেন। মনে হচ্ছে যেন ই-কমার্স ওয়েবসাইট নামালেই রাতারাতি বিক্রী আকাশচুম্বী হয়ে যাবে। আদতে এই স্বপ্ন কেবল স্বপ্নই থেকে যেতে পারে যদি খুব ছোট অথচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে নজর না দিন। তা হল আপনার ওয়েবসাইটের ডিজাইন!

আপনার সাইট ভিজিটরদের যদি আপনি আরামদায়ক একটা এক্সপেরিয়েন্স দিতে না পারেন তাহলে তারা অবশ্যই আপনার সাইট থেকে মুহূর্তেই বেড়িয়ে যাবেন এবং যে ওয়েবসাইটে তুলনামূলক ভালো এক্সপেরিয়েন্স পাবে সেখান থেকেই কেনাকাটা করবে। এটাই অনলাইনে বায়ারদের ন্যাচার।

গত ৫ বছরে ই-কমার্স ল্যান্ডস্কেইপে এসেছে বিরাট পরিবর্তন। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৪ সালে বিশ্বব্যাপী ই-কমার্সে বিক্রির পরিমাণ ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে বর্তমানে ৪.৯ ট্রিলিয়ন ডলারে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী মোট রিটেইল সেইলসের ২৪.৫% ই-কমার্স থেকেই আসবে। এই অসাধারণ পরিবর্তন এমনিতেই আসছে না। এর পেছনে আছে বিশ্বব্যাপী বানানো ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলোর অসাধারণ ইউজার এক্সপেরিয়েন্স(UX)। এতসব বাঘা বাঘা অসাধারণ এক্সপেরিয়েন্সের ওয়েবসাইটের মাঝে নিজের নতুন ইকমার্স ওয়েবসাইটটিকে তুলে ধরতে হলে এর ডিজাইনও যে বিশ্বমানের হতে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ইকমার্স তথা অনলাইনে কেনাকাটা করার যুগের অনেক আগে থেকেই যে মানুষ কেনাকাটার ক্ষেত্রে এক্সপেরিয়েন্সকে প্রাধান্য দেয় তা আমরা অ্যাপলের রিটেইল স্টোরগুলো দেখলেই বুঝতে পারি। অ্যাপলের স্টোরগুলো বানানো হয় বেশ বড় জায়গা নিয়ে যাতে মানুষ তাদের স্টোরে কেনাকাটা না করে কেবল ঘুরাঘুরি করে ভালো একটা সময় অতিবাহিত করতে পারেন। সাথে স্টোরগুলোর ছিমছাম পরিবেশ, ব্রাইট কালার ক্রেতাকে আকর্ষন করে প্রতি মুহূর্তেই। শপিং মলে গেলে অ্যাপল স্টোরগুলো না বেড়িয়ে আসাই যেত না যেন। ঠিক এই ধরণের এক্সপেরিয়েন্স এখন অনলাইনে নিয়ে আসতে দিনরাত কাজ করছে বিশ্বের বাঘা বাঘা সব জায়ান্ট কোম্পানি যেমন অ্যামাজন।

একটি ইকমার্স ওয়েবসাইটের যে ৫টি বিষয়ে নজর রাখা উচিত,

১) ন্যাভিগেশন

২) কালেকশন/ক্যাটাগরি সেকশন

৩) কনটেন্ট ও প্রোডাক্ট সেকশন

৪) শপিং টাইম এক্সপেরিয়েন্স

৫) ফুটার সেকশন

এবার আসুন বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক একটি ভালোমানের ইকমার্স ওয়েবসাইট বানাতে আপনার কি কি বিষয়ে খেয়াল রাখা অবশ্যই উচিৎঃ

ন্যাভিগেশন

একটি সুন্দর এবং প্রয়োজনীয় লিঙ্ক ও আইকন সম্বলিত ন্যাভিগেশন শপিং এক্সপেরিয়েন্সকে বাড়িয়ে তুলে বহুগুণ। প্রতিটি পেইজে এই ন্যাভিগেশন থাকে বলে এটিই সাইট ভিজিটে জরুরী ভূমিকা রাখে। এখানে যা থাকা উচিৎঃ

১। লোগোঃ আপনার ব্যবসার সুন্দর, সিম্পল একটি লোগো দিন। কালার, ফন্ট সবকিছু রুচিশীল করুন। একটি সুন্দর লোগো ভিজিটরকে আকৃষ্ট করবে।

২। নামঃ ওয়েবসাইটে আপনার ব্যবসার নামটি দিন পরিষ্কারভাবে। যেন ভিজিটর সহজে পড়তে পারেন। ব্যবসার নাম ঠিক করার ক্ষেত্রে সময় দিন। একটি সুন্দর, ক্রিয়েটিভ নাম অনেকাংশে অর্গানিক ভিজিটর আনতে সাহায্য করবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় নাম দিয়েই ক্রেতাগণ একটি ধারণা করে ফেলেন পণ্য কেমন হবে। স্বভাবতই মানুষ কভার দেখেই বুক কেমন জাজ করে ফেলেন।

৩। আইকনঃ ন্যাভিগেশনে কার্ট বা ব্যাগের আইকন দিন। শুধু আইকন নয়, ভিজিটর কতটি পণ্য ব্যাগে যোগ করেছেন তার নাম্বারটিও দেখানো উচিৎ। এক্ষেত্রে ভিজিটরকে বার বার ব্যাগে গিয়ে দেখতে হবে না। তার এক্সপেরিয়েন্স ভালো হবে।

৪। মেন্যুঃ আপনার ই-কমার্সের গুরুত্বপূর্ন পেইজগুলো যেমন, All Products, Collections, New Arrivals-কে মেন্যু আকারে সাজিয়ে ন্যাভিগেশনে দিয়ে দিন। এতে ভিজিটর আপনার সাইটকে আরো বেশি এক্সপ্লোর করার সুযোগ পাবে। সাথে এক পেইজ থেকে অন্য পেইজে যেতে ভালো এক্সপেরিয়েন্স পাবে।

কালেকশন বা ক্যাটাগরি সেকশন

আপনার প্রোডাক্টের সব ক্যাটেগরিগুলোকে আলাদা সেকশনে রাখুন। এতে যেসব ভিজিটর কোনো বিশেষ ক্যাটাগরির প্রোডাক্ট শপিং করতে চান তারা খুব সহজে প্রোডাক্ট খুঁজে পাবেন। যেমন, যিনি কেবল জুতা কিনতে চান তাকে তো কাপড় দেখিয়ে লাভ নেই। সুতরাং এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে কেবল তিনি জুতা ক্যাটেগরি সিলেক্ট করেই সব জুতা দেখতে পান।

কালেকশন সেকশনের উদাহরণ (ওয়েব ভিউ)

কনটেন্ট ও প্রোডাক্ট সেকশন

ওয়েবসাইটে ঢুকামাত্র যে হোমপেইজ আসে তার ডিজাইন খুবই সুন্দর এবং মনোরম হওয়া উচিৎ। ভিজিটর এসেই প্রথমে যা দেখবে তা হল এই হোম পেইজ, এবং হোমপেইজের প্রথম ভাগটিকে বলা হয় হিরো সেকশন। তাই চেষ্টা করুন যাতে প্রথম দেখাতেই যেন ভিজিটরকে প্রেমে ফেলানো যায়। পছন্দ হয়ে গেলে ভিজিটর নিজেই বাকিসব পেইজ, প্রোডাক্ট ঘুরে ঘুরে দেখা শুরু করবেন। এক্ষেত্রে হোম পেইজ হতে হবে একেবারে ছিমছাম, সুগঠিত। হোম পেইজে সাধারণত যা থাকতে পারেঃ

১। ব্যানারঃ ন্যাভিগেশনের নীচেই ওয়েবসাইটে মোটামুটি বড় একটি ইমেইজ রাখা হয়, একে হিরো সেক্শনের ব্যানার বলে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি অংশ। এই ব্যানার দিয়ে ভিজিটরকে আপনার ব্যবসা নিয়ে একটি ধারণা দিতে হবে। ফ্যাশনের ব্যবসা হলে ডিজাইন যেন ফ্যাশন রিলেটেড হয়, গ্রোসারি ব্যবসা হলে যেন ডিজাইনও তেমনটা হয়। কেবল আপনার ব্যবসার নাম কিংবা কোনো টেক্সট দেয়া থেকে বিরত থাকুন, কিছু আকর্ষনীয় গ্রাফিক যোগ করুন যাতে করে দেখতে ভালো দেখায়, সাথে আপনার ব্যবসার একটি ধারণা পাওয়া যায়। এবং অবশ্যই রুচিশীল করুন। দেখতে হাস্যকর হলে বা অসামাঞ্জস্য রং হলে ভিজিটর মুহূর্তেই আপনাকে জাজ করে ফেলবেন, হয়ত সাইট থেকে বেড়িয়েও যেতে পারেন।

২। নিউ এরাইভালঃ হোম পেইজে আপনার ওয়েবসাইটে যোগ করা লেটেস্ট প্রোডাক্টগুলো একটি আলাদা সেকশনে দেখান। এক্ষেত্রে ভিজিটর খুব সহজে বুঝবে আপনি নতুন কি এনেছেন বা অন্য জায়গায় যে প্রোডাক্ট পান নি সেটি এখানে আছে কিনা খুঁজে দেখবেন। তাছাড়া আপনার রেগুলার কাস্টোমারদের নতুন কালেকশন খুঁজে সে অনুসারে শপিং করতে বেগ পেতে হবে না। তাদের এক্সপেরিয়েন্স আরো ভালো হবে।

৩। পপুলার চয়েসঃ প্রতিটি ব্যবসারই কিছু বেস্ট সেলিং কিংবা বেস্ট পারফর্মিং প্রোডাক্ট থাকে। ঠিক তেমনি আপনার ব্যবসার এই বেস্ট সেলিং  কিংবা ভিজিটররা সর্বাধিকবার দেখেছেন এমন ৪-৫ টি প্রোডাক্ট পপুলার চয়েস নামের আলাদা সেকশন করে দেখান। এতে ভিজিটররা আপনার স্টোরের সেরা প্রোডাক্ট কোনগুলো খুব সহজে দেখতে পারবেন। হয়ত তাদেরও পছন্দ হয়ে যেতে পারে!

৪। অফারঃ যেকোন ক্রেতার জন্য এক্সাইটিং ব্যাপার হল অফার বা ডিস্কাউন্ট। সুতরাং আপনার বর্তমানে কি অফার চলছে সেগুলো আলাদা আলাদা ব্যানার করে ডিজাইন করে দেখান। যাতে ভিজিটরের দৃষ্টি আকর্ষন করতে পারেন সহজে। কেবল ব্যানার নয়, ব্যানারগুলোতে ক্লিক করলে যাতে সেই অফারের প্রোডাক্টগুলো দেখা যায় সে ফিচারও রাখুন। তাহলে খুব সহজে কাঙ্ক্ষিত অফারের প্রোডাক্টগুলো খুঁজে পাওয়া যাবে।

৫। ফিচারড প্রোডাক্টঃ আপনার কোনো এক্সক্লুসিভ প্রোডাক্ট কিংবা এমন প্রোডাক্ট যেটার প্রচুর ডিমান্ড আপনি দেখে এসেছেন এমন প্রোডাক্টকে আলাদা করে ফিচার করে দেখানো কিংবা ডিজাইনে একটু বড় করে দেখানো আপনার হোম পেইজকে অন্য মাত্রা দিবে। দেখতেও বেশ ভালো লাগবে আবার বুঝা যাবে আপনার ইউনিকনেস কিংবা এক্সক্লুসিভিটি।

৭। অল-প্রোডাক্টঃ সর্বোপরি একটি পেইজে আপনার সব প্রোডাক্ট শোকেজ করুন। এক পেইজেই সব প্রোডাক্ট দেখানো তো যাবে না, সেক্ষেত্রে কয়েকটি প্রোডাক্ট রেখে বাকিগুলো দেখার জন্য কোনো বাটন জুড়ে দিন ওই সেকশনে।

শপিং টাইম এক্সপেরিয়েন্স

হোম পেইজ ঘুরে এখন ভিজিটর কোনো একটা প্রোডাক্টের পেইজে গেলেন, দেখতে শুরু করলেন প্রোডাক্টটি। ঠিক সে মুহূর্ত থেকে আপনাকে তার সাইকোলজি নিয়ে খেলতে হবে যাতে সে প্রোডাক্টটি কিনে নেয়। এক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে নজর রাখতে হবেঃ–

১। প্রোডাক্ট ইমেইজঃ অবশ্যই প্রোডাক্টের হাই রেজ্যুলেশন ছবি দিতে হবে। কোনো ফেইক ছবি দেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপনার পণ্য যেমন ঠিক তেমন ছবি দিন, কেবল ছবিটার প্রেজেন্টেশন যাতে সুন্দর হয়।

২। প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশনঃ প্রোডাক্টের নাম এবং ডেসক্রিপশন সঠিকভাবে দিন। ডেসক্রিপশনে চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব ডিটেইলে লেখার, এতে SEO-তে আপনার প্রোডাক্ট র‍্যাংক করার সম্ভাবনা বাড়বে।

৩। অ্যাড টু ব্যাগ ও বাই-নাও বাটনঃ প্রোডাক্টের পেইজে ব্যাগে প্রোডাক্টটি অ্যাড করার এবং এক ক্লিকে চেক আউট প্রসেসে নিয়ে যাবার অপশন দিন। খেয়াল রাখুন প্রোডাক্ট কিনতে যাতে ভিজিটরকে খুব বেশি ঘুরতে না হয় কিংবা চেক আউট করার প্রসেসে যেতে যাতে কনফিউশনে পড়তে না হয়। এমন ক্রিটিকাল মোমেন্টে কাস্টোমার হারানো মোটেও কাম্য নয়।

৪। চেক আউটঃ ভিজিটর প্রোডাক্ট কেনার শেষ ধাপে। তার কাছে প্রোডাক্ট পাঠানোর জন্য কেবল যে ইনফরমেশন লাগবে সেগুলোই নিন। অযথা বাড়তি ইনফরমেশন নিতে গিয়ে তাকে বিরক্ত করবেন না। অনেক সময় বিরক্ত হয়ে এই স্টেজ থেকেও কাস্টোমার চলে যায়। তাকে পেমেন্টের ব্যাপারে স্বচ্ছ ধারণা দিন, ইনভয়েস আকারে তার টোটাল বিল ডেলিভারি ফী, ভ্যাট এবং অফার ডিস্কাউন্ট মিলিয়ে দেখান। অবশ্যই অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করুন। ক্রেতার যাতে পেমেন্ট করতে গিয়ে ইনসিকিউরড ফীল না হয়।

৫। ধন্যবাদ দিনঃ সাকসেসফুলি অর্ডার প্লেস হলে ক্রেতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি পেইজ দেখান এবং সাথে সে পেইজে তার অর্ডার ট্র্যাকিংসহ প্রয়োজনীয় তথ্য জানিয়ে দিন।

ফুটারের ব্যবহার হোক বুদ্ধির সাথে

ওয়েবসাইটের নীচের অংশটিই হল ফুটার। এই জায়গাটি আপাত দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ন মনে না হলেও ভিজিটরদের কাছে গুরুত্বপূর্ন। ন্যাভিগেশনের মত এই অংশটিও ওয়েবসাইটের সব পেইজেই থাকে, তাই এর ব্যবহার করতে হবে বুদ্ধির সাথে। এই জায়গায় যা রাখা উচিৎঃ–

১। কন্টাক্ট ইনফরমেশনঃ আপনার সাথে কিংবা আপনার ব্যবসার কন্টাক্ট পারসনের সাথে যোগাযোগ করার মাধ্যম যেমন ফোন নাম্বার, ইমেইল, ঠিকানা এসব উল্লেখ করুন। ভিজিটর যাতে যেকোন সমস্যা কিংবা কনফিউশনে পড়লে আপনাদের সাথে কথা বলতে পারেন। তাছাড়া এই ইনফরমেশন থাকলে অনলাইনে কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতার বিশ্বাস আরো দৃঢ় হয়।

২। সোশ্যাল মিডিয়া লিংকঃ আপনার ব্যবসার ফেসবুক পেইজ কিংবা ইন্সটাগ্রাম পেইজের লিংক দিতে ভুলবেন না। এতে ভিজিটর আপনার সোশ্যাল মিডিয়া চেক করতে পারবেন, এতে আপনার প্রতি তার বিশ্বাস যেমন বাড়বে আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে অর্গানিক ভিজিটর আসবে। তাছাড়া ব্যবসার কমিউনিটি বিল্ডিংয়ে এটি চমৎকার কাজ করতে পারে।

৩। গুরুত্বপূর্ন পেইজের লিংকঃ একটি ছোট লিস্টের মত করে আপনার ওয়েবসাইটের গুরুত্বপূর্ন পেইজগুলোর লিংক দিয়ে দিতে পারেন যাতে যেকোন পেইজ থেকে ভিজিটর সহজে অন্য পেইজে চলে যেতে পারে। সেটা হতে পারে আপনার প্রোডাক্টসমূহের ক্যাটাগরিগুলো কিংবা কিছু বিশেষ পেইজ যেমন প্রাইভেসি পলিসি, রিটার্ন পলিসি বা টার্মস এন্ড কন্ডিশন্স।

একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট একটি দোকানের মতই। আপনি সুন্দর করে সাজালে ক্রেতা আসবে, আবার অগোছালো হলে অনেক ভালো পণ্য নিয়ে বসে থাকলে ক্রেতা আসবে না কিংবা আপনার সার্ভিসে স্যাটিস্ফাই হবেন না। সুতরাং একটি ভালো ডিজাইন এবং সে অনুসারে পুরো ওয়েবসাইটকে সাজানো কতটা গুরুত্বপূর্ন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একটি ভালো ডিজাইন এবং ওয়েল স্ট্রাকচারড ওয়েবসাইট শুধু দেখতেই ভালো নয়, SEO-তেও বেশ বড় ভূমিকা রাখে। এসইওতে র‍্যাংক করাতে পারলে আপনার মার্কেটিং খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে কেননা তখন অর্গানিক রিচ হবে বেশি। এত এত ডিজাইনের টেকনিক আর এসইও নিয়ে ভালো ধারণা না থাকায় বেশিরভাগ ব্যবসা অনলাইনে ভালো পারফর্ম করতে পারে না। এক্ষেত্রে কিছু সফটওয়্যার আছে যেমন বণিক অ্যাপ (Bonik App) যা দিয়ে এসব ডিজাইন টেকনিক এবং এসইও মেন্টেইন করে ১ মিনিটেই নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলা যায়।

Launch your online store with Bonik